বিত্তবান লোকদের কাছ থেকে একটাকা করে কালেকশন করে দরিদ্র শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার ফীস সহ পড়াশোনার খরচ চালিয়ে সংবাদের শিরোনামে ভাইরাল ছত্তিশগড়ের সীমা বর্মা।

বিত্তবান লোকদের কাছ থেকে একটাকা করে কালেকশন করে দরিদ্র শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার ফীস সহ পড়াশোনার খরচ চালিয়ে সংবাদের শিরোনামে ভাইরাল ছত্তিশগড়ের সীমা বর্মা।

বিত্তবান লোকদের কাছ থেকে একটাকা করে কালেকশন করে দরিদ্র শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার ফীস সহ পড়াশোনার খরচ চালিয়ে সংবাদের শিরোনামে ভাইরাল ছত্তিশগড়ের সীমা বর্মা।

 বিত্তবান লোকদের কাছ থেকে একটাকা করে সংগ্ৰহ করে সেই টাকা দিয়ে দরিদ্র শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার ফীস সহ পড়াশোনার খরচ চালিয়ে সংবাদের শিরোনামে ভাইরাল হয়েছেন

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের মধ্যবিত্ত পরিবারের  মেয়ে বছর চব্বিশের সীমা বর্মা। জানা গেছে যে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরের মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে সীমা বর্মার পিতা একজন ছোট খাটো সরকারি চাকুরিজীবী এবং মাতা একজন গৃহবধূ।

ছোট বেলা থেকেই এই ছত্তিশগড় রাজ্যের মধ্যবিত্ত পরিবারের কন্যা সীমা বর্মা দরিদ্র শ্রেণীর লোকেদের সাহায্যের জন্য ছুটে যেতেন। বর্তমানে বছর চব্বিশের সীমা বর্মা ছত্তিশগড় রাজ্যের বিলাসপুর শহরের কৌশলেন্দ্র রাও কলেজের এলএলবি ফাইনাল

ইয়ারের ছাত্রী। সীমা বিগত পাঁচ বছরে ১৩ হাজার থেকে অধিক স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য স্টেশনারি সামগ্ৰী সংগ্ৰহ করে দেন এবং ৩৪ টি স্কুলের দরিদ্র শ্রেণীর লোকেদের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন।

যতক্ষণ পর্যন্ত ঐ ছাত্রীদের ছাত্রীদের উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পন্ন না হয় সীমা বর্মা তাদের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে কর্মবীর দয়ালু কন্যা ৫০ জন দরিদ্র শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের বিনামূল্যে কোচিং ক্লাস করাচ্ছেন।

মূলত ছত্তিশগড় রাজ্যের অম্বিকাপুরের বাসিন্দা মধ্যবিত্ত পরিবারের সুসন্তান সীমা তার নিজের পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে এক টাকা সংগ্রহের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এই টাকা সংগ্রহের অভিযানের মাধ্যমে সে দরিদ্র শ্রেণীর শিশুদের সাহায্য করে যাচ্ছেন। এইভাবে ছত্তিশগড়ের এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের কন্যা আজ মনুষ্য জাতির গৌরব হয়ে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামে এসে ভাইরাল হয়েছেন। ছত্তিশগড় রাজ্যের বিলাসপুরের জেলা

প্রশাসন সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনি ইতিমধ্যে অনেক সম্মান এবং সংবর্ধনা কুড়িয়েছেন। সীমা বর্মা আজ এই প্রতিবেদককে এক বার্তায় জানান যে তিনি বিত্তবান লোকদের কাছ থেকে ১ টাকা করে সংগ্ৰহ করতে গেলে অনেকে তাকে ভিখারিনী বলে সম্বোধন করত আবার অনেকে তাকে নিয়ে উপহাস করত কিন্তু তিনি তাতে কোন কর্ণপাত না করে তার ১ টাকা সংগ্রহের অভিযান চালিয়ে গেছেন।

আর এর ফলস্বরূপ আজ তিনি সফলতা অর্জন করতে পেরেছেন এবং অনেক দরিদ্র শ্রেণীর লোকেদের শিশুদের সাহায্য সহযোগিতা করতে পারছেন।

সীমা বর্মার এই মহানুভবতার জন্য ছত্তিশগড় রাজ্যের বিলাসপুরের জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারের কাছে তাকে রাজ্যিক সম্মানে ভূষিত করার জন্য সুপারিশ করেছেন।

LEAVE A COMMENT

Comment