হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত এবং গ্ৰামোন্নয়ন বিভাগে প্রিএএফআরবিএম অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরনে দালালচক্র কাজ করছে অভিযোগ জনশক্তি সেবা সমিতির।

হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত এবং গ্ৰামোন্নয়ন বিভাগে প্রিএএফআরবিএম অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরনে দালালচক্র কাজ করছে অভিযোগ জনশক্তি সেবা সমিতির।

চাকরি বাণিজ্যের দালালদের গ্ৰেফতারের দাবি জনশক্তি সেবা সমিতির।

রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নির্দেশের করায়ত্ব করতে যেসময় অভিযান চলছে ওই সময়   হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগে প্রিএএফআরবিএম অস্থায়ীকর্মীদের স্থায়ীকরণে একটি দালালচক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ তোলেছে জনশক্তি সেবা সমিতি। মাটি দালালদের সঙ্গে হাইলাকান্দিতে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগে চাকরি বাণিজ্যের দালালদের গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছে জনশক্তি সেবা সমিতি। সমিতির হাইলাকান্দি জেলাকমিটির সাধারণ সম্পাদক মুস্তাক হুসেন মাঝারভূইয়া উল্লেখিত  অভিযোগ তোলেন। বলেন,হাইলাকান্দিতে প্রিএএফআরবিএম অস্থায়ী কর্মী স্থায়ী করতে ৭৭ জনের একটি তালিকা পাঠিয়ে রিভ্যারিফিকেসনের নির্দেশ দেন অসমের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন বিভাগের কমিশনার হেমেন দাস।তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাঁদের অধিকাংশকে কোনদিন জিপিতে কাজ করতে দেখা যায়নি।তালিকায় একই পরিবারের তিন চারজন লোক রয়েছে। আগে পোস্ট এএফআরবিএম পদে যারা নিযুক্তি পেয়েছেন তাঁদের নিকটাত্বীয়দের নাম রিভ্যারিফিকেসনের তালিকায় স্থান পেয়েছে।নিশ্চয় দালালির মাধ্যমে অবৈধ নাম রিভ্যারিফিকেসনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।কতিপয় জিপি সচিবের মাধ্যমে এএফআরবিএম অস্থায়ী কর্মী স্থায়ীকরণে ভ্যারিফিকেসনের তালিকায় সন্নিবিষ্ট হয়েছে।১৯৯৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত পোস্ট ও প্রি এএফআরবিএম অস্থায়ী কর্মী স্থায়ী করতে ১৯৫ জনের নামের তালিকা ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কয়েকবার ভ্যারিফিকেসন করা হয়।৪৬ জন অস্থায়ী কর্মীকে এখন ও স্থায়ী করা হয়নি।৭৭ জনের নামের তালিকা ভ্যারিফিকেসন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ওই তালিকায়   থাকা অধিকাংশ নাম অবৈধ বলে জনশক্তি সেবাসমিতির অভিযোগ।সমিতি এব্যাপারে তদন্তক্রমে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

LEAVE A COMMENT

Comment