সীমান্ত শহর করিমগঞ্জের রাজপথ ফের কাঁপলো। রাষ্ট্রীয় বজরং দল ও হিন্দু মিলন মঞ্চ যৌথভাবে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে।

সীমান্ত শহর করিমগঞ্জের রাজপথ ফের কাঁপলো। রাষ্ট্রীয় বজরং দল ও হিন্দু মিলন মঞ্চ যৌথভাবে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে।

সীমান্ত শহর করিমগঞ্জের রাজপথ ফের কাঁপলো। রাষ্ট্রীয় বজরং দল ও হিন্দু মিলন মঞ্চ যৌথভাবে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে।

শুধু বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিল না পীঠে ছুরা মারলো ভারতের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যেখানে বাংলাদেশ স্বাধীন অর্জন করতে ভারতের ছিল সিংহভাগ অবদান। একে অন্যের পরিপূরক। এহেন পরিস্থিতিতে কলঙ্কের অধ্যায় রচনা করলো বাংলাদেশ। উৎসবের মরশুমে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর। সংখ্যালঘুদের উপর অকথ্য নির্যাতন। অগ্নিসংযোগ। বিনা কারণে সংখ্যালঘুদের হত্যালীলা সংবরণ করা ইত্যাদি নাটকীয় ঘটনা সংঘটিত হলো বাংলাদেশে। এদিকে অবাঞ্চিত ঘটনা নিয়ে সর্বত্র নিন্দার ঝড় বইছে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানাচ্ছেন সবাই। প্রতিবাদের ঘেউ অব্যাহত রয়েছে সর্বত্র। এমনটা নিকৃষ্ট ঘটনা কেউই মেনে নিতে পারছেন না। আজ সীমান্ত শহর করিমগঞ্জের রাজপথ ফের কাঁপলো। রাষ্ট্রীয় বজরং দল ও হিন্দু মিলন মঞ্চ যৌথভাবে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক প্রতিবাদ মিছিল বের করে। শহরের পাবলিক স্কুল রোড খেলার মাঠ থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক্রমা করে। পরবর্তীতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বিসর্জন ঘাটে এসে মিছিল শেষ হয়। হিন্দু দেবদেবীর মন্দির ভাঙচুর। সংখ্যালঘুদের উপর অকথ্য নির্যাতন এমন ঘটনা থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশ সরকারকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ইসলাম শান্তির প্রতীক কাউকে আঘাত দেয় না এমনটা হযরত মুহাম্মদ শিখিয়েছিলেন কিন্তু ইসলাম ধর্মাবলম্বী হয়ে এমনটা নিকৃষ্ট ঘটনা সংঘটিত করলেন তাতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুধু শুধু আঘাত দিলেন না তাদের নিজের ধর্মের কলংকিত করলেন। অনুরূপভাবে করিমগঞ্জ ইসকন কর্তৃপক্ষ ঘটনা ধিক্কার জানিয়ে প্রতিবাদ রেলি বের করেন। বিসর্জন ঘাটে এসে স্লোগানে স্লোগানে সরগরম করে তোলা হয়। যারা এধরনের ন্যক্কারজনক কান্ড সংঘটিত করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আবেদন জানানো হয়। ইসকন কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংগঠনের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের কাছে এভাবেই ব্যক্ত করেন।
 

LEAVE A COMMENT

Comment